উপমহাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচঙ্গ। অনেকেই এই গ্রামকে এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বলে অভিহিত করেন।
হবিগঞ্জে সদর থেকে বানিয়াচঙ্গ গামের দূরত্ব ২ কিঃ মিঃ ও সিলেট শহর থেকে ১১৭ কিঃ মিঃ। দু’পাশে বিস্তীর্ণ অসলের মাঠ। সোনালী প্রান্তর ধান, আকাশের সাথে মিশে যাওয়া হাওর জনমহাল, আকাশে সাদা বকের মায়াবী খেলাসহ প্রাকুতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত একটি গ্রামের নাম বানিয়াচঙ্গ। মূল বানিয়াচঙ্গ গ্রামটি ৪টি ইউনিয়নের সমন্ময়ে গঠিত। ১২০০ বৎসর আগে বানিয়াচঙ্গ গ্রাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আদি প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কেশন মিশ্রের নাম অম্লান হয়ে আছে। থানা হিসেবে পরিচিত ১৭৯০ সাল বানিয়াচঙ্গ একটি রাজ্য ছিল। রাজবাড়ীর অস্থিত্ব এখন বিদ্যামান। বানিয়াচঙ্গ এর নামকরণ নিয়ে নানা কাহিনী রয়েছে হাওরে চাঙ্গা বা মাচাঙ্গা বেঁধে বানিয়া কিংবা ব্যবসায়ীর বসবাস করতো বলে এখানকার নাম বানিয়াচাঙ্গ থেকে বানিয়াচঙ্গ হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন, এই এলাকায় নাকি যুদ্ধ হয়েছিল। ফলে বিনায়ে জঙ্গ আস্ত আজা অর্থাৎ ঝঁগড়ার উৎপত্তি হল এখানে বানিয়াচঙ্গ এর নামকরণ হয় বলে অনুমান করা হয়। বানিয়াচঙ্গ এ পুটিয়া নামে একটি বিশাল বিল ছিল। নানা জাতের পাখি ছিল পুটিয়া বিলে। বিলের পাড়ে চাঙ্গ স্থাপন করে বানিয়া নামের এক শিকারী পাখি শিকার করতো। এই বানিয়াচঙ্গ থেকে আজকের বানিয়াচঙ্গ। কথিত আছে একজন বাহ্মণ বণিক বাণিজ্য উপলক্ষে নৌকা যোগে আসেন। বানিয়া বা বণিকের মাঝি ছিল চঙ্গ, মানে নমঃশুদ চাড়াল। এই বানিয়া ও চঙ্গ দুই শব্দের সমন্ময়ে বানিয়াচঙ্গ এর নামকরণ হয়েছে।
হবিগঞ্জে সদর থেকে বানিয়াচঙ্গ গামের দূরত্ব ২ কিঃ মিঃ ও সিলেট শহর থেকে ১১৭ কিঃ মিঃ। দু’পাশে বিস্তীর্ণ অসলের মাঠ। সোনালী প্রান্তর ধান, আকাশের সাথে মিশে যাওয়া হাওর জনমহাল, আকাশে সাদা বকের মায়াবী খেলাসহ প্রাকুতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত একটি গ্রামের নাম বানিয়াচঙ্গ। মূল বানিয়াচঙ্গ গ্রামটি ৪টি ইউনিয়নের সমন্ময়ে গঠিত। ১২০০ বৎসর আগে বানিয়াচঙ্গ গ্রাম প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আদি প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কেশন মিশ্রের নাম অম্লান হয়ে আছে। থানা হিসেবে পরিচিত ১৭৯০ সাল বানিয়াচঙ্গ একটি রাজ্য ছিল। রাজবাড়ীর অস্থিত্ব এখন বিদ্যামান। বানিয়াচঙ্গ এর নামকরণ নিয়ে নানা কাহিনী রয়েছে হাওরে চাঙ্গা বা মাচাঙ্গা বেঁধে বানিয়া কিংবা ব্যবসায়ীর বসবাস করতো বলে এখানকার নাম বানিয়াচাঙ্গ থেকে বানিয়াচঙ্গ হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেন, এই এলাকায় নাকি যুদ্ধ হয়েছিল। ফলে বিনায়ে জঙ্গ আস্ত আজা অর্থাৎ ঝঁগড়ার উৎপত্তি হল এখানে বানিয়াচঙ্গ এর নামকরণ হয় বলে অনুমান করা হয়। বানিয়াচঙ্গ এ পুটিয়া নামে একটি বিশাল বিল ছিল। নানা জাতের পাখি ছিল পুটিয়া বিলে। বিলের পাড়ে চাঙ্গ স্থাপন করে বানিয়া নামের এক শিকারী পাখি শিকার করতো। এই বানিয়াচঙ্গ থেকে আজকের বানিয়াচঙ্গ। কথিত আছে একজন বাহ্মণ বণিক বাণিজ্য উপলক্ষে নৌকা যোগে আসেন। বানিয়া বা বণিকের মাঝি ছিল চঙ্গ, মানে নমঃশুদ চাড়াল। এই বানিয়া ও চঙ্গ দুই শব্দের সমন্ময়ে বানিয়াচঙ্গ এর নামকরণ হয়েছে।


৭:০৮ AM
Posted in: